খুব শীঘ্রই বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে ভারত, ছাড়িয়ে যাবে আমেরিকাকেও

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ স্থানীয় অর্থনৈতিক সংস্থা গোল্ডম্যান স্যাকসের (Goldman Sachs) রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০৭৫ সালের মধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে (US) ছাপিয়ে যাবে ভারত (India) এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে। শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নয়, জাপান, জার্মানিও থাকবে ভারতের পিছনে। গোল্ডম্যান স্যাকসের রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে যে, ভারতের অর্থনীতি হবে ৫২.৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং চীনের পরই দ্বিতীয় স্থানে আসবে ভারত।

আরো পড়ুন: কেন রাতারাতি ‘নীল সাদা’ থেকে ‘গেরুয়া’ হয়ে গেল বন্দে ভারতের রং? কারণ জেনে চমকে যাবেন আপনিও

বর্তমানে, জার্মানি, জাপান, চিন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরে ভারত (India) বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে চিহ্নিত। গোল্ডম্যান স্যাকস রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের জনসংখ্যা ১ কোটি ৪০ লক্ষ হলে এবং জনসংখ্যায় বিশ্বের বৃহত্তম দেশ হয়ে উঠলে, এর জিডিপি অর্থনীতি প্রসারে বিশেষ প্রভাব ফেলবে। গোল্ডম্যান স্যাকসের ভারতীয় অর্থনীতিবিদ শান্তনু সেনগুপ্তের মতে, ভারতের বিপুল জনসংখ্যার ফলে সৃষ্টি শ্রমিক পিছু উৎপাদন ক্ষমতা এবং প্রযুক্তি, বিশাল বিনিয়োগ ভারতের অর্থনীতি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।

আগামী দুই দশকের মধ্যে ভারতের (India) নির্ভরশীলতার অনুপাত আঞ্চলিক অর্থনীতির মধ্যে সবচেয়ে কম হবে। ভারতের মাথাপিছু আয় বাড়ছে এবং নির্ভরতা কমছে। এর ফলে মূলধন বিনিয়োগ করতে উৎসাহিত করবে এবং দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে। ভারতের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চালক হবে মূলধন বিনিয়োগ।

আরো পড়ুন: IRCTC-তে রয়েছে দুর্দান্ত কাজের সুযোগ! জানুন যোগ্যতা সহ, আবেদন পদ্ধতি

বর্তমানে ভারতে (India) শিশু ও বয়স্কদের সঙ্গে কর্মক্ষম ব্যক্তির আনুপাতিক হার খুব ভাল জায়গায় রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন শান্তনু সেনগুপ্ত, এছাড়া বিনিয়োগের হার তাৎপর্যপূর্ণভাবে বেড়েছে, বিশেষত পরিকাঠামো ক্ষেত্রে বিনিয়োগের হার যথেষ্ট ভালো বলেও গোল্ডম্যান স্যাকসের রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে। গোল্ডম্যান স্যাকসের রিপোর্ট বলছে, পরিকাঠামো ক্ষেত্রকে অগ্রাধিকার দিয়েছে সরকার। বিশেষ করে সড়ক ও রেলে বেড়েছে বিনিয়োগ। গোল্ডম্যান স্যাকস মনে করে, এটাই বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য বেসরকারি ক্ষেত্রের জন্য অনুকূল সময়। এর ফলে উৎপাদন ও পরিষেবা ক্ষেত্রে আরো বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।