মহাকাশে পাঠানো হয়েছে ১৩৬ টি গাছের বীজ, সত্যিই কী মহাকাশে চাষের জন্য বড়সড় পরিকল্পনা করছে ড্রাগনের দেশ চীন

বর্তমানে চীন (China) ও আমেরিকার (America) মধ্যে চলছে মহাকাশ প্রতিযোগিতা। দুই দেশই মহাকাশে অনন্য কিছু করতে ব্যস্ত। চীন মহাকাশে কৃষি সংক্রান্ত গবেষণা করতে চায়। আমেরিকার সাথে পাল্লা দিয়ে চীন মহাকাশে তার মহাকাশ স্টেশন স্থাপন করছে। চীন ১৯৮০এর দশক থেকে শুরু করে কয়েক দশক ধরে মহাকাশ প্রজনন পরীক্ষায় জড়িত। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনেও একই ধরনের পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হচ্ছে।

চীন ২০২২ সালে তিয়ানগং মহাকাশ স্টেশনের নির্মাণ কাজ শেষ করেছে। চীনা কর্মকর্তারা প্রকাশ করেছেন যে, শেনঝো ১৬ মিশনের অধীনে ১০০টিরও বেশি উদ্ভিদের বীজ মহাকাশে তিয়ানগং মহাকাশ স্টেশনে পাঠানো হয়েছে। চায়না ম্যানড স্পেস এজেন্সি (CMSA) অনুসারে, তিয়ানগং মহাকাশ স্টেশন মে মাসের শেষের দিকে ৫৩টি প্রতিষ্ঠান থেকে ১৩৬টি বীজ এবং উদ্ভিদ জেনেটিক উপাদান মহাকাশে পাঠিয়েছে।

আরো পড়ুনঃ পোস্ট অফিসের এই দুর্দান্ত স্কিমে মাত্র ১৩৩ টাকা করে ইনভেসমেন্ট করলেই মিলবে ২,৮৩,৯৬৮ টাকা!

এর মধ্যে রয়েছে ৪৭টি ফসল, যার মধ্যে রয়েছে ১২টি শস্যের বীজ এবং ২৮টি অর্থকরী ফসলের বীজ, এছাড়া ৭৬ প্রজাতির বনজ উদ্ভিদ, ঘাস, ফুল ও ঔষধি গাছও মহাকাশে পাঠানো হয়েছে। কৃষি ও শিল্প অণুজীব, ভোজ্য ছত্রাক, শেওলা এবং শ্যাওলা সহ আরো তেরোটি অণুজীবও কক্ষপথে পাঠানো হয়। শেনঝো ১৫এর (Shenzhou 15) ক্রু সদস্যরা জুন মাসে পৃথিবীতে ফিরে আসেন। ফেরার পর প্রথমবারের মতো চীনা গণমাধ্যমের সামনে হাজির হন। এই মিশনে তিনজন নভোচারী মহাকাশ স্টেশনে গিয়েছিলেন।

আরো পড়ুনঃ ইন্ডাস্ট্রিকে দিয়ে যাচ্ছেন একের পর এক ফ্লপ ফ্লিম, তা সত্ত্বেও আসন্ন সিনেমা নিয়ে উচ্ছ্বাসিত এই বলিউড তারকারা

চীন চাং ই-৪ মহাকাশযানের মাধ্যমে চাঁদে গাছপালা সম্বলিত একটি বাক্স পাঠিয়েছে। এই প্রথম কোনো জৈবিক উপাদান চাঁদে পাঠানো হয়েছিল। চীন এখানে গাছপালা জন্মাতে সফল হয়েছে। তুলার বীজ পাঠানো হতো বিশেষ ধরনের বাক্সে। একই সময়ে, নাসার মহাকাশ কেন্দ্রে অনেক শাক-সবজি ও গাছপালা জন্মেছে। কিন্তু নাসা এখনও চাঁদে এমন কিছু করেনি। বর্তমানে একটি ক্রু, শেনঝো ১৬ (Shenzhou 16) মহাকাশযানে তার কক্ষপথে পৌঁছেছে। মহাকাশ স্টেশনে মানুষ পাঠানোর জন্য এটি চীনের পঞ্চম মিশন।